কাজী ওবায়দুর রহমানঃ
আসন্ন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে নতুন করে আলোচনায় এসেছে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের ঢাকা মহানগর উত্তর নেতৃত্বের সাবেক ছাত্রনেতা মোঃ তরিকুল ইসলাম রানা।
তিনি ঢাকা মহানগর উত্তর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের একজন সক্রিয় সদস্য হয়ে কঠিন ভূমিকায় মাঠে আছেন বলে জানতে পেরে আজ ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতৃত্বের আলোচনায় সেই বাংলা কলেজের সাবেক ছাত্রনেতা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার সম্ভাব্য নতুন নেতৃত্ব।
দীর্ঘদিন ধরে পূর্ণাঙ্গ কমিটি না থাকায় সংগঠনটির ভেতরে যেমন প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে, তেমনি কেন্দ্রীয় নেতৃত্বও মাঠপর্যায়ে সক্রিয়, ত্যাগী ও সাংগঠনিকভাবে দক্ষ নেতাদের মূল্যায়নের দিকে নজর দিচ্ছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। আর এই পূর্ণ গঠন প্রক্রিয়ায় ঢাকা মহানগর উত্তর সেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি পদে আলোচনায় ভেসে উঠেছে
সরকারী বাংলা কলেজের সাবেক সফল ছাত্রনেতা ঢাকা মহানগর পশ্চিম ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোঃ তরিকুল ইসলাম রানা
দলীয় সূত্র জানায়, গত ৯ মে কেন্দ্রীয় বিএনপিসহ বিভিন্ন সাংগঠনিক ইউনিটের প্রায় ৯০০ শীর্ষ নেতার সঙ্গে দীর্ঘ মতবিনিময় করেন দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ওই বৈঠকে তিনি সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড আরও জোরদার করার কঠোর নির্দেশনা দেওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন ইউনিটে নতুন কমিটি গঠনের স্পষ্ট ইঙ্গিত দেন। এরপর থেকেই মূলত ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণে বর্তমান কমিটির পাশাপাশি নতুন ও তরুণ মুখ আনার চিন্তাভাবনা শুরু হয়।
ইতোমধ্যে সম্ভাব্য পদপ্রত্যাশীরা নিজেদের সাংগঠনিক দক্ষতা, বিগত দিনের আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা ও ত্যাগের বিবরণ তুলে ধরে কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে জোর যোগাযোগ শুরু করেছেন। গুলশান কার্যালয় থেকে শুরু করে সচিবালয়ে মন্ত্রীদের কাছেও চলছে জোর তদবির। তবে কোনো ধরনের লবিং বা তদবিরের বাইরে সম্পূর্ণ নিজের দীর্ঘ ত্যাগ, রাজপথের আপোষহীন নেতৃত্ব এবং পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির কারণে মহানগর উত্তর সেচ্ছাসেবক দলের শীর্ষ পদের দৌড়ে আস্থার প্রতীক হিসেবে আলোচনার কেন্দ্র বিন্দুতে রয়েছেন মোঃ তরিকুল ইসলাম রানা।
দলীয় নেতাকর্মীরা জানায়, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের আগে ও পরে দেশের রাজনীতিতে যখন সংঘাত, বিভাজন আর দখলদারিত্বই ছিল মুখ্য, তখন ঢাকা বাংলা কলেজ ও ঢাকা মহানগর পশ্চিম ছাত্রদলের এক অন্যধারার আদর্শিক রাজনীতি উপহার দিয়েছিলেন মোঃ তরিকুল ইসলাম রানা ।



